Showing posts with label Windsor. Show all posts
Showing posts with label Windsor. Show all posts

2010/01/02

বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা ২০০৯, উইন্ডজর, অন্টারিও, কানাডা

৩১শে ডিসেম্বর ২০০৯। সন্ধ্যা সাড়ে পাঁচটায় রোজ সিটি ইসলামিক সেন্টারে অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার কথা। আমি ঠিক সাড়ে পাঁচটায় যাওয়ার পক্ষপাতি হলেও পরিবার রাজী নয়। আগের অভিজ্ঞতা থেকে বউ শিখেছে আগে গিয়ে কোন লাভ নেই, সবাই দেরী করেই আসে। মনে খচখচানি হলো। কিন্তু মেনে নিলাম, যুক্তি অকাট্য। এবার তাই এক ঘন্টা দেরীতে গিয়ে শুধু কোরাসটা মিস করেছি। খুব একটা লস হয়নি।

এবারের অনুষ্ঠান ছিল ওয়েল অর্গানাইজড। বিশেষ করে খাওয়া পর্ব নিয়ে এর আগের দুইবার যা দেখেছি তাতে মনে হয়েছিল যেন সত্যিকার বাংলাদেশে আছি। এবারে তার ব্যত্যয় ঘটেছে। ১০-১৫ জন ভলান্টিয়ার নিজেরা অক্লান্ত পরিশ্রম করে, খাবার সবার হাতে হাতে জায়গামত পৌঁছে দিয়ে অত্যন্ত সুশৃংখল ভাবে সে পর্ব শেষ করেছেন। তাদের অশেষ ধন্যবাদ জানাচ্ছি। যার মাথা থেকে এই বুদ্ধিটা এসেছে তাকেও ধন্যবাদ।

এবারের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে শিশুদের অংশগ্রহণ ছিল উল্লেখযোগ্য। কিন্তু শুনতে খারাপ লাগলেও বলতে হচ্ছে একেকজনের ৪/৫টি করে আইটেমে অংশগ্রহণ একদম ভালো লাগেনি। মান সম্পন্ন হলে একটা কথা ছিল, কেউ কেউ এমন গান গাইলেন যেন স্টেজে উঠেই প্রথম গাইছেন, রিহ্যারস্যাল করেছেন বলে মনে হয়নি। এমনকি সিনিয়র এক ভাইয়ের গানেও একই অবস্থা।

বাচ্চাদের অনুষ্ঠানের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল পিয়ানো বাজানো, নাচ এবং শেষের দিকে করা আধুনিক ড্যান্স। খুবই ভালো লেগেছে। বড়দের মধ্যে সৈকত ভাইয়ের গান এবং টরন্টো থেকে আগত ভাবীর গান ভালো লেগেছে। নূর ভাই যে গান লেখেন এবং সুর দেন সেটা সৈকত ভাইয়ের কারণে জানা হলো।

যে ভাই সুকান্তের কবিতা আবৃত্তি করলেন তিনি মনে হয় এই কবিতা আগেরবারও আবৃত্তি করেছিলেন। নতুন কিছু করলেই বেশী ভালো হতো, আফটার অল আমরা আমরাই তো, রিপিটেশন কেমন যেন লাগে।

বিদ্রোহী কবিতার আবৃত্তি অসাধারণ লেগেছে। সেজন্য জাহান ভাইকে ধন্যবাদ।

এবারে ছবি তুলে সুবিধা করতে পারিনি। অনুষ্ঠানের দৈর্ঘ্য এর একটা কারণ হতে পারে। ৬ ঘন্টার প্রোগ্রাম ছোট করে ২ বা আড়াই ঘন্টার মধ্যে শেষ করলেই মনে রাখার মতো একটা কিছু হতো। বেশী ভালো করতে গিয়ে একই ধরনের পারফরমেন্স অনেক সময় বিরক্তিকর লেগেছে।

যাই হোক এই পোস্ট দিয়ে আপনাদের বিরক্ত করলাম বলে দু:খিত। নিজের জন্যই ভাবনাগুলো লিখে রাখলাম। সত্য প্রকাশে আমার একটু কমই বাধে। মন্তব্য করতে চাইলে স্বাগতম।

নিন এবার কিছু ছবি দেখুন।

IMG_4662

IMG_4720

IMG_4746
নানা ও নাতির কাণ্ডকারখানা।

IMG_4764

IMG_4767

IMG_4768
আমার বিচারে সেরা পারফরমেন্স।

IMG_4784

IMG_4793

IMG_4797


ছবির স্লাইড শো


ছবি ডাউনলোড
ছবি ডাউনলোড করার জন্য http://www.flickr.com/photos/nishorga/sets/72157623114422418/ যান। তারপর কোন ছবি ডাউনলোড করতে চাইলে সেই ছবির উপর All sizes নামে একটা আইকনে ক্লিক করতে হবে। তাহলে বড় ছবি দেখা যাবে। সেটাকে মাউসের ডান বাটনে ক্লিক করে সেভ করতে হবে।

2009/12/25

ক্রিসমাস ইভ ২০০৯

প্রবাসে ক্রিসমাসের ধর্মীয় প্রভাব উপেক্ষা করা গেলেও সামাজিক প্রভাব উপেক্ষা করা যায়না। সন্ধ্যায় বের হতেই গীর্জা থেকে ঢং ঢং শব্দ ভেসে এলো। আগে কখনো শুনেছি মনে পড়েনা। হয়তো শুনেছি, খেয়াল করা হয়নি।

আজ ক্রিসমাস ইভ, বড়দিনের আগের রাত। শহরে লোকজন যে যথেষ্টই কমেছে তা বেশ বোঝা যায়। বাসার পার্কিং লটের তিন-চতুর্থাংশই খালি। সবাই বোধহয় টরন্টো, অটোয়া কিংবা বাবা-মা-পরিবারের সাথে ছুটি কাটাতে গিয়েছে।

ক্রিসমাস এলেই মাস জুড়ে এরা সবখানে সান্টাক্লজের ছবি আর ক্রিসমাসের লাল রঙে রাঙিয়ে রাখে। ঘরবাড়িও বাদ যায়না-- আলোকসজ্জা করে যার যার সামর্থ মতো। আমাদের বাসার কাছেই কয়েকটা বাসায় খুব সুন্দর আলোকসজ্জা করেছে। ক'দিন ধরেই ভাবছিলাম ছবি তুলবো অথচ সন্ধ্যার পরে ঠান্ডা একটু বেড়ে যায়; আমার বাইরে যাওয়ার ইচ্ছেটাও মরে যায়। ছবিও তাই তোলা হয়না।

কাল বড়দিন। ক'দিন আগে হালকা বরফ পড়েছে। গতবারের মতো এবার আর বরফে মোড়া ক্রিসমাস হলোনা। কেউ কেউ এতেই খুশী। আবার অনেকেই চায় ক্রিমাসের রাতে যেন তুমুল বরফ পড়ে। যাই হোক, বরফে ঢেকে যাওয়ার আগেই ভাবলাম আশেপাশের বাড়িগুলোর আলোকসজ্জার ছবি তুলে রাখি। ঠান্ডার কারণে ১৫-২০ মিনিট পরেই অবশ্য বাসায় ফিরতে বাধ্য হলাম।


সবাইকে শুভেচ্ছা। :)


IMG_4572


IMG_4556


IMG_4557

IMG_4569

2009/12/10

Windsor welcomes winter with wind chill of minus 20 degree


Its not officially winter yet. But Windsor have experienced the first blow when mercury goes below minus 10 degree Celsius. If minus 10 does not chill you, then count it minus 20 (with the wind factor).

Its bone chilling especially when you are still not psychologically ready  for the winter of 2009.

Earlier, it was predicted that a major winter storm is going to hit southern Ontario and adjacent regions. Toronto and Ottawa experienced significant amount of snow. Fortunately, we at Windsor faced some strong wind but did not see any snow.

Environment Canada forecast says tomorrow is likely to be a little warmer and the day will be cloudy.

My guess is this year will not see much snow in terms of frequency, but the amount could be significantly heavy as compared to last year. We had about 13 days of snow in the last week of November and first week of December 2008.

2009/12/04

Gone are the days of colours!!

IMG_4452

Yes, Winter has set in, at last!

Last year, by December 1st, we had about 12 or 13 days of snow (if I remember correctly).This year I was skeptical about whether Winter will actually come to Windsor. This city is famous for its warm weather in the entire Canada! To my surprise, its minus 3 degree C right now on Mercury and minus 8C with the wind factor.

2009/10/28

বিকেলের রঙ

সেদিন কিংকং তার ব্লগে লিখেছিল জীবনটা বোধহয় ১৪ইঞ্চি মনিটরে সীমাবদ্ধ হয়ে যাচ্ছে। কথা একেবারে বাড়িয়ে বলা নয়। অল্পবিস্তর সবারই মনে হয় একই অবস্থা। সকাল সাড়ে ছয়টায় দিন শুরু হয়, সুর্য ওঠারও দেড় ঘন্টা আগে। ভাবতেই অবাক লাগে। দেশে থাকতে কোনদিন সূর্য ওঠার আগে উঠেছি বলে মনে পড়েনা। তেমনটি হতো শুধুমাত্র গ্রামে গেলে কিংবা দেহঘড়িতে ব্যাপক কোন পরিবর্তন ঘটলে। এখানে দিনের প্রায় নব্বই ভাগ সময়ই কাটে মনিটর নিয়ে। আমার পড়াশুনার যে ধরন, তাতে কাজকারবার সব এই চোদ্দ ইঞ্চি মনিটরের সামনেই। তার উপর এক ট্যাবে জিমেইল, আরেক ট্যাবে সচলায়তন: এ দুটো খোলা থাকবেই।

ফল (Fall) অবশেষে এলো। প্রকৃতি হলুদ হলো, লাল হলো, কমলা হলো, পাকা আমের মতো রঙ ধারণ করলো। কিন্তু আকাশ তার গোমরা মুখ আলোকিত করলোনা। হঠাৎ ঘন্টা খানিকের জন্য হয়তো সূর্য দেখা দেয়, বাকী সময় আবারো সেই মেঘলা অন্ধকার। গত দুইদিন তেমনি আলোকিত ছিল। হলে হবে কি বউয়ের মিডটার্ম পরীক্ষা, তাই ঘরদোর-বাচ্চা দেখাশোনার সাময়িক ভার আমার উপর।

সেদিন রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০০৯। মেয়ের সময় কাটাতে সাথে নিয়ে বাইরে বের হই। ঝকঝকে রোদ, ১৭ডিগ্রি সেলসিয়াস, সুন্দর আবহাওয়া। উইন্ডজরের সমস্যা হলো প্রচণ্ড বাতাস। সেদিক থেকে এখন ভালই আছে- বাতাস নেই বললেই চলে। আমার হাতে ক্যামেরার ব্যাগ। মেয়েকে ক্যামেরার ব্যাটারি কেন কিনে দিচ্ছিনা সেটা নিয়ে কিছুক্ষণ গাঁইগুঁই করে বাইনোকুলার ঘাড়ে নিয়ে বেরিয়ে পড়ল।

ইউনিভার্সির কাছাকাছি (ওয়াইনডট আর আসকিন এভিনিউ) একটা জায়গায় ম্যাপল গাছগুলোর গায়ে যেন আগুন ধরে গিয়েছে। ছবি তুলে সেটা দেখানো অসম্ভব। তবুও ডকুমেন্ট হিসেবে রাখার জন্যই তোলা। এসব ছবিতে ডিটেইলস আনতে হাই কোয়ালিটির লেন্স দরকার; আমার সেটা নেই। অথবা ক্লোজআপ করা যেতে পারে, সেক্ষেত্রে পুরো পরিবেশটা ধরা সম্ভব নয়।

ছবি: ১
IMG_4388

ছবি: ২
IMG_4379

ছবি: ৩
IMG_4384

ছবি: ৪
IMG_4390

আমার দেখাদেখি মেয়েও ছবি তুলতে চায়। প্রথম প্রথম ক্যামেরা দিতে ভয় পেতাম। এখন দেই। বাচ্চাদের গুরুত্ব না দিলে তারা দায়িত্ববান হতে শেখেনা। আমি ক্যামেরা ধরে রাখি, ও লুক থ্রু করে। অটো ফোকাস করা নিজেই শিখেছে: সাটার রিলিজ বাটনে অর্ধেক চাপ দিলে ফোকাস হয়, পুরা চাপ দিলে ছবি ওঠে। মাঝে মাঝে অবাক লাগে শিশুরা কিভাবে পরিবেশ থেকে শিখে ফেলে। এমন না যে এদের হাতেকলমে শিখিয়ে দিতে হয়! শিশুরা বড়ই আজব জিনিস।

উপরের কাঠবিড়ালীর ছবিটি (ছবি:৪) মেয়ের তোলা। ছবি তোলাতে ওর হাত পাকছে তা বেশ টের পাচ্ছি। কাঠবিড়ালীটা বাঁ পাশে ঘাসের উপরে ছিল। আমি বললাম, মা ওটার ছবি তোল। ক্যামেরা তাক করতেই লাফিয়ে লাফিয়ে সরে গেল ওটা। মেয়ে নিজেই ক্যামেরা প্যান করে ফোকাস করে ছবি তুলে ফেলল। ভাবিনি এত সুন্দর করে কম্পোজ করতে পারবে (বাচ্চাদের সাপেক্ষে)। এসএলআর ক্যামেরা বড়দের হাতে দিলেও অনেকেই ক্যামেরা আনুভূমিক রাখতে পারেনা। সে তুলনায় ভালই তুলেছে।

যখনই বাইরে বের হই, তখনই সে ধরে নেয় ন্যাচার পার্কে যাচ্ছি। তাড়া দিচ্ছিল কখন ন্যাচার পার্কে যাবো। বাইনোকুলারের সদ্ব্যবহার করতে হবে তো! নিয়ে গেলাম পার্কে। ততক্ষণে বিকেল হয়ে প্রায় আঁধার নেমে এসেছে। রবিবার বলে একদল মানুষ পিকনিক করতে এসেছে। আহারে, কয়দিন পরেই এগুলো ঢেকে যাবে বরফের সাদা চাদরে।

ছবি: ৫
IMG_4398

মেয়েকে শেখালাম কিভাবে বাইনোকুলার এ্যডজাস্ট করতে হয়। টিউনিং রিংটা একটু শক্ত, নিজে এখনো ঠিকঠাক করতে পারেনা। স্বল্প পানিতে ম্যালার্ড ভেসে বেড়াচ্ছে খাবারের খোঁজে-- সেই দৃশ্যই দেখছে নিবিষ্ট মনে।

সন্ধ্যার আগেই ফিরে আসি ঘরে, আবারো বন্দি হই চোদ্দ ইঞ্চি মনিটরের পর্দায়। জীবনটা এভাবেই চলে যাচ্ছে। কবে যে তীরন্দাজের মতো ঘুরতে ফিরতে পারবো!

2009/10/25

কাজী ভাইয়ের বাসায় এক সন্ধ্যায়

সেদিন ফ্লিকারে এই ছবিটি দেয়ার সাথে সাথে ফারনার ভাই মন্তব্য করলেন প্রকৃতিপ্রেমিক ঘরের কোণের ছবি দেয় কেন। সে কারণেই আজকের পোস্টের অবতারণা।

প্রজন্ম ফোরামে নিয়মিত না লগিন করলেও আরএসএস ফীডের মাধ্যেমে ফোকাস-এ আমি নিয়মিতই খোঁজ নিয়ে যাই। তেমন ভালো কিছু না পেলে মন্তব্য করা হয়না। উৎসাহ দিতেও মন্তব্য করা উচিত, সেটা বুঝি, কিন্তু সময় নিয়ে টানাপোড়েন যাচ্ছে।

আমার শহরের প্রকৃতি বলতে গেলে মেঘে ঢেকে আছে। মাঝে মাঝে হঠাৎ দুয়েক ঘন্টার জন্য সূর্য উঁকি দেয়। তার ফাঁকে মন হালকা করা হয় হয়তো, কিন্তু ছবি তোলার সুযোগ থাকেনা। ইউনিভার্সিটি থেকে তো হুট করে ছবি তুলতে বের হওয়া যায়না। ছবি তুলতে প্রস্ততি লাগে।

নীচের ছবিটি গতরাতে বন্ধুর বাসায় গিয়ে তোলা। ডান দিকে একটি দরজার ভেতর দিয়ে করিডোরের আলো এসে পড়েছে। ছবিটি স্বল্প আলোতে ট্রাইপড ছাড়া তোলা। লং এক্সপোজারের কারণে দেয়ালের টোনটা ছবিতে ভালোমতই ধরা পড়েছে। টোনটা দূর করার চেষ্টা করেছিলাম, সফল হইনি। ফটোশপ মনে হয় শিখতেই হবে।

র ফরম্যাট থেকে প্রসেস করে জেপেগ করে শার্পনেস এবং কালার কিছুটা এনহাঞ্চ করা হয়েছে।

IMG_4357

IMG_4371

2009/08/07

Riverside Drive, Windsor, Ontario, Canada (1)

অনেকদিন ধরেই কিছু লেখা হচ্ছেনা। সামার এসে গেছে, প্রকৃতির সৌন্দর্য সব উধাও। ক্যামেরার ব্যবহার তাই কমে গ্যাছে। এরই মধ্যে মেয়েকে নিয়ে মাঝে মাঝে রিভারসাইডে যাই, ঘুড়ি ওড়াই, ও বাইসাইকেল চালানো শেখে। ক্যামেরা সাধারণত নেইনা। গতকাল বের হওয়ার আগে হিমুর সাথে চ্যাট করছিলাম। ও বলল ক্যামেরা সাথে নিয়ে যান। সেজন্যই নেয়া। আর এই ছবিগুলো বাড়তি পাওয়া।

_MG_3861
অঙ্গুরীঠুঁটো (Ring-billed Gull) মাথার উপর উড়ছে খাবারের খোঁজে।

_MG_3864
মাসক্রাট (Muskrat) Ondatra zibethicus, অনেকটা বিভারের মতো একটা প্রাণী। পানির ধারে থাকে। বিভার হলো উদবিড়ালের মত একটা প্রাণী। মজার ব্যাপার হলো প্রাণীটি Ondatra গণের (Genus) একমাত্র প্রাণী!

_MG_3856
কমন ইয়ারো Common Yarrow (Achillea millefolium)

_MG_3845
রিভারসাইডের একটা এপার্টমেন্টের ছবি। অনেক পোস্ট প্রসেস করা হয়েছে। নাটকীয় রং দেয়া হয়েছে যা বাস্তবের কাছাকাছি নয়।

_MG_3884
সন্ধ্যা নেমে এলো।

_MG_3889
এমন সময় একটা বৃটিশ পতাকাবাহী নৌকা এগিয়ে এলো। বড় ছবি এখানে।


_MG_3852

পাশের পাথর কেটে বানানো মানুষের স্কাল্পচারটার বিশেষত্ব হলো উইন্ডজর বলতেই এটির ব্যবহার। এমনকি অন্টারিও ট্রাভেলস-এর উপর সরকারী পত্রিকাগুলোতেও এর ব্যবহার দেখা যায়। কিন্তু এর অবস্থান এমন একটা জায়গায় যেখানে বিকালে ছবি তোলা একটু কঠিন। সকালে আবার সময় হয়না। বিকালে সূর্য দিগন্তে চলে যায়, আলো পড়ে অবজেক্টের পেছনে। উপরের ছবিতে সূর্যটা আড়াল করেছি স্ট্রাকচারের অন্যপাশে।

2009/07/22

Summer goes in summer

Its my sixth year in Canada! That's about one-tenth of my expected length of life. People talk about three Ws in North America,-- Wife, Wealth, and Weather. I can't comment much about the first two Ws, but the weather here certainly is unpredictable.

I am from a country where summer means summer. Temperature rises there as high as 42 Degree Celsius in summer, and goes as low as 10 Degree in Winter. I never saw drastic change in temperatures during the summer months. If weather office predicts that it will be 28 in the morning and 30 in the afternoon, it will, more or less, be like that.

The part of Canada that I am living in, has an entirely different weather pattern. Even in summer, it may start off with 10 in the morning, go as high as 35 around midday, and decrease sharply towards 14-15 in the evening. That's a change in temperature!

Windsor weather on July 17, 2009

The other day, it was super hot at noon, mercury rose up to 35, with humidity index being 42 (i.e., 35+ the humudity= feels like 42 Degree Celsius). Skin gets burnt if you are in the sun for 15 minutes. Sun block lotions are a must for people working outside or if you are going to beaches.

The very next day it went below 20! Amazing, huh? See the snapshot from the Environment Canada's website for Windsor, ON, on early hours of July 18 2009.

Summer sunshine seems to be over, and Fall is sneaking in rather untimely. Days are gloomy, hazy. The sun is visible, though, behind the misty clouds and the air spreads the smell of Fall.

Flowers are gone for the season, except a few large Daisies, and Red and orange Lilies which are at their fag ends of lives.

Summer is going in summer with all its intense hue.

Sigh!

2009/07/18

Picnic at Wheatley Provincial Park

It was a day like not-in-summer; overcast and around 25 Degree Celsius at Wheatley Provincial Park. When we reached there shortly after 12:15pm, I could recognize many of the parked vehicles, meaning that most of the Windsorites have already arrived! Wow that's so nice to see from the fellow Bangladeshis.

Wheatley is a small town near Leamington, Ontario, and is famous for its conservation areas that are in or around her periphery. Kopegaron Woods Conservation Area, Hillman Marsh Conservation Area and Point Pelee National Park to name a few. Also, Rondeau Provincial Park is only a half-hour's drive to the east. The city also boasts Wheatley Provincial Park, home to the endangered Blue Racer snake, which can only be found in the park as well as the Point Pelee National Park and on Pelee Island.

The day was full of fun with lots of foods and sports for children and bhabis. Our dedicated football team had arranged a semi-serious match as well. They were divided into two teams- Ucchash (উচ্ছ্বাস) and Ananda (আনন্দ). Ananda won the match 2-0, with two players (one from each team) being injured. Some actions of the exciting match along with the other events of the picnic are presented below in a photo essay. More photos were available on my Flickr, which have now been removed.

_MG_3664
Wheatly park ta jeno kon dike?

IMG_3517
Ok, here it is.

IMG_3530
A ghono boroshay..

IMG_3525
Chupi chupi dujone dujonar (Photo quiz: Can you guess which couple is this?)

_MG_3589
Why is the No.10 player standing at the goal post?

_MG_3593
When Akter bhai launches his missile...

_MG_3603
A great chase, indeed.. but it was a goal kick in the end.


_MG_3598
Who is showing what?

_MG_3624
When the commentator becomes the director...


_MG_3630
Bastota amake deyna oboshor...


_MG_3638
Dreams are as colorful as this kite.

_MG_3685
The dream that you wish will come true.

Couple
Wishing for a happy ending.