এবারের অনুষ্ঠান ছিল ওয়েল অর্গানাইজড। বিশেষ করে খাওয়া পর্ব নিয়ে এর আগের দুইবার যা দেখেছি তাতে মনে হয়েছিল যেন সত্যিকার বাংলাদেশে আছি। এবারে তার ব্যত্যয় ঘটেছে। ১০-১৫ জন ভলান্টিয়ার নিজেরা অক্লান্ত পরিশ্রম করে, খাবার সবার হাতে হাতে জায়গামত পৌঁছে দিয়ে অত্যন্ত সুশৃংখল ভাবে সে পর্ব শেষ করেছেন। তাদের অশেষ ধন্যবাদ জানাচ্ছি। যার মাথা থেকে এই বুদ্ধিটা এসেছে তাকেও ধন্যবাদ।
এবারের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে শিশুদের অংশগ্রহণ ছিল উল্লেখযোগ্য। কিন্তু শুনতে খারাপ লাগলেও বলতে হচ্ছে একেকজনের ৪/৫টি করে আইটেমে অংশগ্রহণ একদম ভালো লাগেনি। মান সম্পন্ন হলে একটা কথা ছিল, কেউ কেউ এমন গান গাইলেন যেন স্টেজে উঠেই প্রথম গাইছেন, রিহ্যারস্যাল করেছেন বলে মনে হয়নি। এমনকি সিনিয়র এক ভাইয়ের গানেও একই অবস্থা।
বাচ্চাদের অনুষ্ঠানের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল পিয়ানো বাজানো, নাচ এবং শেষের দিকে করা আধুনিক ড্যান্স। খুবই ভালো লেগেছে। বড়দের মধ্যে সৈকত ভাইয়ের গান এবং টরন্টো থেকে আগত ভাবীর গান ভালো লেগেছে। নূর ভাই যে গান লেখেন এবং সুর দেন সেটা সৈকত ভাইয়ের কারণে জানা হলো।
যে ভাই সুকান্তের কবিতা আবৃত্তি করলেন তিনি মনে হয় এই কবিতা আগেরবারও আবৃত্তি করেছিলেন। নতুন কিছু করলেই বেশী ভালো হতো, আফটার অল আমরা আমরাই তো, রিপিটেশন কেমন যেন লাগে।
বিদ্রোহী কবিতার আবৃত্তি অসাধারণ লেগেছে। সেজন্য জাহান ভাইকে ধন্যবাদ।
এবারে ছবি তুলে সুবিধা করতে পারিনি। অনুষ্ঠানের দৈর্ঘ্য এর একটা কারণ হতে পারে। ৬ ঘন্টার প্রোগ্রাম ছোট করে ২ বা আড়াই ঘন্টার মধ্যে শেষ করলেই মনে রাখার মতো একটা কিছু হতো। বেশী ভালো করতে গিয়ে একই ধরনের পারফরমেন্স অনেক সময় বিরক্তিকর লেগেছে।
যাই হোক এই পোস্ট দিয়ে আপনাদের বিরক্ত করলাম বলে দু:খিত। নিজের জন্যই ভাবনাগুলো লিখে রাখলাম। সত্য প্রকাশে আমার একটু কমই বাধে। মন্তব্য করতে চাইলে স্বাগতম।
নিন এবার কিছু ছবি দেখুন।
নানা ও নাতির কাণ্ডকারখানা।
আমার বিচারে সেরা পারফরমেন্স।
ছবির স্লাইড শো
ছবি ডাউনলোড
ছবি ডাউনলোড করার জন্য http://www.flickr.com/photos/nishorga/sets/72157623114422418/ যান। তারপর কোন ছবি ডাউনলোড করতে চাইলে সেই ছবির উপর All sizes নামে একটা আইকনে ক্লিক করতে হবে। তাহলে বড় ছবি দেখা যাবে। সেটাকে মাউসের ডান বাটনে ক্লিক করে সেভ করতে হবে।
